Posts

Showing posts from April, 2023

ইতিকাফ বিষয়ে হাদিস

  ইতিকাপ বর্জনীয় বিষয়

বৃহস্পতিবারের নফল নামাজ

Image
বৃহস্পতিবারের নফল নামাজ ———————- বৃহস্পতিবার রাত্রির নামাজ-  (বুধবার দিনগত রাত) হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেন : যে বৃহস্পতিবার রাতে মাগরিব ও এশার মাঝখানে দু'রাকআত নামায পড়ে- প্রত্যেক রাকআতে  > আলহামদু পাঁচ বার,  > আয়াতুল কুরসী পাঁচ বার,  > সুরা এখলাস পাঁচ বার, > সুরা ফালাক পাঁচ বার, > সুরা নাস পাঁচ বার, > এবং নামাযান্তে পনর বার এস্তেগফার পাঠ করে,  > সওয়াব পিতামাতাকে বখশে দেয়, পিতামাতার হক তার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায়, যদিও সে পিতামাতার অবাধ্যতা করে। আল্লাহ তাআলা তাকে এমন বস্তু দেবেন, যা সিদ্দীক ও শহীদগণকে দেবেন'। বৃহস্পতিবার দিনের নামাজ:- হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি বৃহস্পতিবার দিন যোহর ও আসরের মধ্যে দু'রাকআত নামায পড়ে, প্রথম রাকআতে আলহামদু একবার, আয়াতুল কুরসী একশ' বার এবং দ্বিতীয় রাকআতে আলহামদু একবার, সূরা এখলাস একশ' বার এবং দরূদ একশ’ বার পাঠ করে, তাকে আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির সওয়াব দান করবেন, যে রজব, শাবা...

ঈদের তাকবীর

 

ঈদ মোবারক

 

রিয়াদুল জান্নাত

Image
রিয়াদুল জান্নাত  —————— সহীহ্ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, “মা বাইনা কাবরী ওয়া মিম্বারী মির রিয়াদিল জান্নাতি” অর্থাত; “আমার কবর ও মিম্বরের মধ্যবর্তীস্থানে বেহেশতের বাগিচাসমূহের কোনো একটি বাগিচা আছে”।  এক বর্ণনায় আছে, “আমার হুজরা ও মিম্বরের মধ্যবর্তীস্থানে বেহেশতের বাগান আছে”।  অপর এক বর্ণনায় আছে, “আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বেহেশতের বাগান”। বোখারী শরীফে বর্ণিত হয়েছে এই কথাটুকু – “আমার মিম্বরটি রয়েছে আমার হাউযে কাউছারের উপর”। কোনো কোনো বর্ণনায় আছে, “আমার মিম্বর আছে জান্নাতের কোনো একটি দরজার উপর”। ‘নাযআতুন’ এর অর্থ কেউ কেউ বলেছেন, দরজা। আবার কেউ কেউ বলেছেন, উচ্চ ভূমিতে অবস্থিত উদ্যান। উলামা কেরাম বিভিন্নভাবে হাদিসখানির ব্যাখ্যা করেছেন। কেউ বলেছেন, উক্ত ভূমিখণ্ডকে বেহেশতের বাগানের সাথে উপমা দেওয়া হয়েছে। কেননা ওই স্থানে বিরামহীনভাবে আল্লাহ্’র রহমত অবতীর্ণ  ———————- #মাদারেজুন্নবুঅত  - ৭ম খন্ড #রিয়াদুল_জান্নাত  #ইসলাম_ই_মুক্তির_দিশা @everyone  

ইশরাক নামাজ

Image
ছবির উপর ক্লিক করে নিয়ম দেখে নিন পেজবুকে গিয়ে ইশরাক’ অর্থ হলো উদয় হওয়া বা আলোকিত হওয়া। শরিয়তের পরিভাষায় ইশরাক হলো সূর্যোদয়ের পর যখন পূর্ণ কিরণ বিচ্ছুরিত হয়, সে সময়। এই সময়ের নামাজকে ইশরাক নামাজ বলা হয়। এ নামাজের ওয়াক্ত ফজরের কমপক্ষে ১৫ মিনিট পর শুরু হয়ে ২ ঘণ্টা অবধি থাকে। এ নামাজ পড়া মুস্তাহাব। নিয়ম হলো ফজরের নামাজের পর জায়নামাজ থেকে না ওঠে তাসবিহ-তাহলিল, দোয়া-দরুদ, জিকির-আযকার ইত্যাদিতে রত থাকা এবং ওয়াক্ত হলেই এ নামাজ পড়ে নেয়া। অবশ্য জায়নামাজ ছেড়ে ওঠে গেলেও এ নামাজ পড়া যায়, তবে সওয়াব আগের মতো হবে না। হযরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করে স্বীয় স্থানে বসে থাকে, তার জন্য ফেরেশতারা ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন। তারা এভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন; হে আল্লাহ, তার প্রতি দয়া করুন। আর যে নামাজের অপেক্ষায় থাকে তার জন্যও ফেরেশতারা ক্ষমা প্রার্থনায় রত থাকেন। তারা এভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন; হে আল্লাহ, তার প্রতি দয়া করুন। (মুসনাদে আহমদ)। হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জ...
Image
  বিশ (২০) রমজান থেকে শেষ রমজান পর্যন্ত যে কোন এক রাত্রি ‘লাইলাতুল কদর’ অর্থাত কদরের রাত্রি। রসূলুল্লাহ্ (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নির্দিষ্ট করে কদরের রাতের তারিখ বলেননি। শুধু একটুকু বলেছেন রমজানের শেষ দশকে যেন আমরা শবেকদর তালাশ করি। তাই যার যতটুকু সম্ভব কদরের নিয়তে বেশি বেশি নফল ইবাদত করা উচিত। শবেকদরের বিশেষ দোয়া। --------------- ‎ﺍَﻟﻠﻬﻢ ﺇﻧَّﻚَ ﻋَﻔُﻮٌ ﺗُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨّﻲ “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী"। অর্থাৎ “হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা ভালবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন”। [তিরমিযি ৩৫১৩, ইবনে মাজাহ ৩৮৫০] . আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি নিবেদন করলাম, হে আল্লাহর রসূল (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) আপনি বলুন, যদি আমি (ভাগ্যক্রমে) শবে কদর জেনে নিই, তাহলে তাতে কোন (দোয়া) পড়ব? তিনি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, এই দোয়া, “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী।” অর্থাৎ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা ভালবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেন। [তিরমিযি ৩৫১৩, ...

কদরের রাতের পরের দিন যা হবে

Image
  কদরের রাতের পরের দিন যা হবে —————- কদরের রজনীতে জিব্রাইল (আঃ) সকল ইমানদারদের সাথে করমর্দন করেন। তার করমর্দনের সময় মুমিন ব্যক্তির শরীরের লোমকুপ খাড়া হয়ে যায়। মন কোমল হয় এবং চোখে অশ্রুধারা নেমে আসে। এসব নিদর্শন দেখা দিলে বুঝতে হবে , তার হাত হজরত জিব্রাইল (আঃ)-এর হাতের মধ্যে রয়েছে। ফজরের পর জিব্রাইল (আঃ) সমস্ত ফেরেস্তাদের নিয়ে উপরে দিকে উঠে যান এবং অনেক উপরে উঠে স্বীয় পালক ছড়িয়ে দেন অতপর তিনি সেই দুটি সবুজ পালক প্রসারিত করেন, যা অন্য কোন সময় প্রসারিত করেননা। এর ফলে সূর্যের কিরণ মলিন ও স্থিমিত হয়ে যায়। তারপর তিনি সমস্ত ফেরেস্তাদেরকে ডাকিয়ে নিয়ে যান। সব ফেরেস্তা উপরে উঠে গেলে তাদের নুর এবং জিব্রাইল (আঃ) এর পালকের নুর মিলিত হয়ে সুর্যের কিরণকে নিস্প্রভ করে দেয়। ঐ দিন সূর্য অবাক হয়ে যায়। সকল ফেরেশ্তা সেদিন আকাশ ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানের ইমানদার নারী-পুরুষের জন্য রহমত কামনা করে তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন। তারা ঐ সব লোকের জন্যও দোয়া করেন, যারা সৎ নিয়তে রোযা রাখে এবং সুযোগ পেলে পরবর্তী রমযান মাসেও আল্লাহর ইবাদত করার মনোভাব পোষন করে। সন্ধ্যায় সবাই প্রথম আসমানে পৌঁছে যান । সেখানে...