বিশ (২০) রমজান থেকে শেষ রমজান পর্যন্ত যে কোন এক রাত্রি ‘লাইলাতুল কদর’ অর্থাত কদরের রাত্রি। রসূলুল্লাহ্ (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নির্দিষ্ট করে কদরের রাতের তারিখ বলেননি। শুধু একটুকু বলেছেন রমজানের শেষ দশকে যেন আমরা শবেকদর তালাশ করি। তাই যার যতটুকু সম্ভব কদরের নিয়তে বেশি বেশি নফল ইবাদত করা উচিত।

শবেকদরের বিশেষ দোয়া।
---------------
‎ﺍَﻟﻠﻬﻢ ﺇﻧَّﻚَ ﻋَﻔُﻮٌ ﺗُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨّﻲ
“আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী"।
অর্থাৎ “হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা ভালবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন”। [তিরমিযি ৩৫১৩, ইবনে মাজাহ ৩৮৫০]
.
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি নিবেদন করলাম, হে আল্লাহর রসূল (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) আপনি বলুন, যদি আমি (ভাগ্যক্রমে) শবে কদর জেনে নিই, তাহলে তাতে কোন (দোয়া) পড়ব? তিনি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, এই দোয়া, “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী।” অর্থাৎ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা ভালবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেন।
[তিরমিযি ৩৫১৩, ইবন মাজাহ ৩৮৫০]
-----------------------
কদরের রাত্রে আমরা যা করতে পারি।কিছু কিছু স্মরণ করে দেওয়ার চেষ্টা করছি।
-----------------------
> আমরা কেয়ামুল কদর নামাজ পরতে পারি।নুন্যতম ১২ রাকাত।
> সালাতুল তসবী আদায় করতে পারি।নুন্যতম ৪ রাকাত।
> তারাবীর ২০ রাকাত তো নিয়মিত ভাবে আছেই।
> তাহায়্যুদ নুন্যতম ৪ - ১২ রাকাত আদায় করতে পারি।
> সালাতুল এস্তেগফার (তওবা) আদায় করতে পারি।
> দরুদ ও সালাম বেশী বেশী পড়তে পারি।
> তসবী,তাহলীল,যিকির বেশী বেশী পড়তে পারি।
কিছু কিছু বাক্য যাহা আল্লাহর বেশী পছন্দনীয় যেমন:-
> 'লা ইলাহা ইল্লাল্লা'
> 'ছোবহানারাব্বিয়াল অবিহামদিহী, ছোবহানারাব্বিয়াল আজীম'
ইত্যাদি।
> বেশী বেশী তওবার দোয়া পড়তে পারি। (আস্তাগফির আল্লাহ্)
> বেশী বেশী দোয়া করতে পারি,নিজের জন্য এবং সমস্ত মুমিন ও মুসলমানের জন্য।
> ইত্যাদি
--------------------
ইয়া রাব্বে কারীম আল্লাহ, পবিএ শবে কদরের রাতের খাতিরে আমাদের ক্ষমা করুন। আর শামিল করুন সেই সব লোকের সাথে যাদেরকে আপনি ক্ষমা করেছ।
আমিন,ছুম্মা আমিন।
————————
@everyone

Comments

Popular posts from this blog

শুধু মুখে কলেমা পড়লে জান্নাত যাওয়া যাবেনা

মসনবী শরীফ বই - মউলানা রুমী (রহঃ)