Posts

Showing posts from 2021

ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের ইতিহাস

Image
  ১৭ রমজান, ঐতিহাসিক বদর দিবস। ৬২৪ খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ, হিজরি দ্বিতীয় বর্ষের ১৭ রমজান ৩১৩ জন সাহাবিকে সঙ্গে নিয়ে মহানবী (সাল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) মদিনা শরিফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ৮০ মাইল দূরে বদর নামক স্থানে কাফেরদের সঙ্গে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। ইতিহাসে এ যুদ্ধকে বদর যুদ্ধ বলে অবহিত করা হয়। ঐতিহাসিক এ যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সাল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)। যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার আগে তিনি দোয়া করেন- 'হে আল্লাহ! ক্ষুদ্র এ (মুসলিম) দলটি যদি আজ শেষ হয়ে যায়, তবে কিয়ামত পর্যন্ত আপনার নাম নেওয়ার মতো কোনো মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না।' রাসূল (সাল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-এর এই দোয়া থেকেই স্পষ্ট হয়, বদর যুদ্ধের প্রেক্ষাপট কী ভয়াবহ ছিল! মহান আল্লাহ্ তা’আলা দয়া করে সেদিন ফেরেশতাদের মাধ্যমে মুমিনদের সাহায্য করেছিলেন। যদিও এটি ক্ষুদ্র একটি যুদ্ধ ছিল, কিন্তু এর প্রভাবে বিশ্বের তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টে যায়। যারা একদিন আগেও ইসলামের যাত্রাপথ রোধ করাকে সহজ মনে করেছিল, তারা বুঝতে পেরেছে যে ইসলামের এ অগ্রযাত্রাকে রোধ করা ...

প্রকাশ্যে এক ও অপ্রকাশ্যে অন্য মুনাফেকের আলামত

Image
  হজরত খিজির (আঃ) হজরত উমর বিন আব্দুল আযীয রদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে মদীনা মুশাররফা-ই একত্রিত হলেন। হযরত উমর বিন আব্দুল আযীয রদিয়াল্লাহু আনহু আরজ করলেন, আপনি আমাকে কোন একটি উপদেশ দিন। তখন তিনি ফরমালেন,- 'হে উমর ! এ কাজ থেকে বেঁচে থাকো যে, প্রকাশ্যে আপনি আল্লাহ্ তা'আলার বন্ধু হবেন আর গোপনে তার দুশমন হবেন' কেননা যার জাহের ও বাতেন এক হবেনা, সে তো মুনাফিক হিসাবে বিবেচিত। আর মুনাফিকের স্থান হচ্ছে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্থরে। এটা শুনে হযরত উমর বিন আব্দুল আযীয রদিয়াল্লাহু আনহু এভাবে কাদলেন যে, তার চোখের অশ্রুতে দাঁড়ি ভিজে গেল। ------------------ তানবিহুল মুগতাররীন পৃঃ- ৫৯

পবিত্র শবে বরাতের আমল

Image
  পবিত্র শবে বরাতের আমল ************************** #পবিত্র_শবে_বরাতের_আমল শবে বরাত হচ্ছে মুক্তি বা ভাগ্য অথবা নাজাতের রাত। অর্থাৎ বরাতের রাত্রিতে ইবাদত-বন্দেগী করে ও পরবর্তী দিনে রোযা রেখে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সন্তুষ্টি অর্জন করাই মূল উদ্দেশ্য। শবে বরাতে কোন্ কোন্ ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে তা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফে নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। তবে ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য নির্দেশ করা হয়েছে। যেমন হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যখন শা’বানের ১৫ তারিখ রাত্রি অর্থাৎ বরাতের রাত্রি (চৌদ্দ তারিখ দিনগত) উপস্থিত হবে তখন তোমরা উক্ত রাত্রিতে নামায আদায় করবে এবং দিনে রোযা রাখবে। কেননা নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি উক্ত রাত্রিতে সূর্যাস্তের সময় পৃথিবীর আকাশে আসেন অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করেন। অতঃপর ঘোষণা করেন, “কোন ক্ষমা প্র্রার্থনাকারী আছো কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দিবো।” “কোন রিযিক প্রার্থনাকারী আছো কি? আমি ত...

যে সকল কারণে ওযু ভংগ হয়ে যায়

Image
যে সকল কারণে ওযু ভংগ হয়ে যায় ********************** >প্রশ্রাবের ফোটা ঝরলে, >বায়ু নির্গত হলে, >ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বা পূঁজ বের হয়ে গড়িয়ে পড়লে, >চোখের অসুখের কারণে চক্ষু হতে অশ্রু প্রবাহিত হলে, >নাক কান ও স্থন দিয়ে পানি বের হলে, >ফোঁড়া বা ক্ষত ইত্যাদি হতে তরল পদার্থ বাহির হলে, >ডায়রিয়া হলে ওযু ভংগ হয়ে যায়। ********************** যাদের স্থায়ী অসুখের কারণে এসব পরিলক্ষিত হয়, তাদের হতাশ হবার কোন কারণ নেই। তাদের জন্য হুকুম শীতল করা হয়েছে। যা নির্ধারিত স্থানে উপস্থাপিত হবে। **************************

নামাজে যদি ঘুম এসেযায় তখন করনীয়

Image
নামাজে যদি ঘুম এসেযায় তখন করনীয় **************************** #নামাজ অনেক সময় পরিলক্ষিত হয় আমাদের মধ্যে অনেকেই নামাজের মধ্যে তন্দ্রাচ্ছন্ন হই । কিন্তু এই অবস্থায় আমাদের নামাজের অবস্থা কি হবে আমরা অনেকেই জানিনা। তাই আমি এই মাসয়ালাটি লিখার ইচ্ছা করলাম। আমরা যখন দাড়ানো অবস্থায় নামাজে ঘুম এসে যায় তখন ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে অনেকে নামাজ ভংগ করে ফেলে, এরূপ কোন অবস্থাতেই গ্রহন যোগ্য নয়। বরং যে অবস্থায় জাগ্রত হল সেই অবস্থায় ঘুম আসার পূর্বের আমল মিলায়ে বাকী টুকু আদায় করতে হবে। যেমন মনে করেন আপনি নিশ্চিত যে আপনি সুরা ফাতেহা পড়েছেন এর পর সুরা পড়েছেন কিনা মনে নেই তন্দ্রা এসে গেছে দাড়ানো অবস্থায় যখন চৈতন্য ফিরে পাবেন তার পর থেকে নামাজ শুরু করতে হবে। কিংবা রুকু অথবা সিজদা অবস্থায়ও এরকম হতে পারে তখনও একই নিয়মে নামাজ আদায় করতে হবে। নামাজ এবং উযু কোনটাই দোরাতে হবেনা বরং সুরক্ষিত থাকবে। যেহেতু নামাজে কিছু অতিরিক্ত হয়েছে সেই জন্য সহু সিজদা দিতে পারেন। সহু সিজদা না জানলে যথাযত সহু সিজদার পোষ্ট থেকে শিখতে পারেন। মাসয়লাটি হানাফি মাজহাবের বই থেকে সংগ্রহ করা হল । অন্য মাজহাবের জন্য কোন পার্থক্য আছে কিনা আমার জানা ...

ওহাবীদের ধংসাত্বক তান্ডবের পূর্বে জান্নাতুল বাকী

Image
জান্নাতুল বাকী কবরস্থান এই সেই জান্নাতুল বাকী কবরস্থান । যেখানে শুয়ে আছেন হুজুর সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের প্রাণপ্রিয় আহলে বাইতের সদস্য গণ । যেখানে শুয়ে আছেন  হজরত ওসমান বিন আপ্ফান রদিয়াল্লাহু আনহু, হুজুর আলাইহিস্সালামের কলিজার টুকরা মা ফাতেমাতুজ্-জাহরা  আলাইহিস্সালাম,শুয়ে আছেন মু'মিন মুসলমানদের জননীগণ  তথা হুজুর  সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগন। যেখানে শুয়ে আছেন নবীজি  সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের সন্তানগণ ও অগনিত সাহাবা এ-কেরাম গণ (রদিয়াল্লাহু আনহুমা) । যারা বলে থাকে মক্কা মদিনা ইসলামের কেন্দ্র অথচ সেখানে কোন কবরের উপর গম্বুজ পরিলক্ষিত হয়না, আমাদের দেশে কোথা থেকে আসল এই গম্ভূজের প্রচলন।  তাদেরকে একটু গভীর মনোনিবেশ করার অনুরোধ রহিল।  --------------------------------  

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত || Bangladesh National Anthem

Image
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে জাতীয় সংগীত গাইলো voice of Prime Minister Sheikh Hasina Amaar Sonar Bangla Ami Tomai Bhalobasi ধন্য ধান্য পুষ্প ভরা, আমাদেরই বসুন্ধরা / এমন দেশটি কোথাও খুঝে পাবে নাকো তুমি হায়রে আমার মন মাতানো দেশ আমি বাংলায় গান গাই   Ami Banglay Gaan gai আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন | Aynate Oi Mukh Dekhbe Jokhon আয় খুকু আয় (কাটেনা সময় যখন) আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায় মনে পড়ে মোরে প্রিয়   মুর্শিদ ধন হে কেমনে চিনিব তোমারে

কিতাবুল ফিতান বই (PDF) নুয়াইম বিন হাম্মাদ

Image
বই   কিতাবুল ফিতান (PDF)

গীবত এবং অপবাদ প্রসঙ্গ

Image
  গীবত এবং অপবাদ প্রসঙ্গ ----------------------------- গীবত বা পরনিন্দা সম্পর্কে একটি অত্যন্ত মূল্যবান পোস্ট । Mohammed Kaisar গীবত কী ? গীবত শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে দোষারোপ করা, অনুপস্থিত থাকা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কুৎসা রটনা করা, পিছে সমালোচনা করা ইত্যাদি। মানুষ সব সময় সুখ ও শান্তি চায়।শান্তি মানুষের একটি পরম কাংখিত বিষয়। কিন্তু এই প্রত্যাশিত সুখ-শান্তি নির্ভর করে সমাজবদ্ধ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর। উঁচু-নিচু, ধনী-দরিদ্র এসব পার্থক্যই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। মানুষের পারস্পরিক পরিচয়ের জন্যই এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ সূরা হুজরাতে এরশাদ করেছেন, হে মানুষ, আমি তোমাদেরকে এক নারী ও এক পুরুষ থেকে সৃষ্টি করেছি আর তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি। যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়া সম্পন্ন। নিশ্চয় আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত। (সূরা হুজুরাত: ১৩) মানব সমাজের এই পার্থক্য আল্লাহ্ কতৃক পরিকল্পিত। সুতরাং যে যেই অবস্থায় আছে সেইটুকুতে সন্তুষ্ট থাকাই ( তাকওয়া)। যেসব কারণে সমাজের মধ্যে ভ্...

কন্ট্রাক্টকারী বক্তা, খতিব ও আলেমগণ সাবধান (উর্দু থেকে অনুবাদ)

Image
কন্ট্রাক্টকারী বক্তা, খতিব ও আলেমগণ সাবধান ! ভিডিওটি দেখুন। ---------------- ইমাম শাফেই (রহঃ) বলেন ,- ইলমে দীন সংগ্রহ করে  ইহার অনুদান  পেতে হলে সামান্য খাবারের পরিমা ার্থাত যদি সামান্য অর্থর বিনিময়ে হলেও  রাজি থাকুন ।  কারণ ইলমে দীন অনেক বড় সম্পদ । তাওয়াক্কুল করতে হয় অনেক সাধনা করতে হয়। যদি দুনিয়ার দিকে খেয়াল থাকলে দীনের ইল্ম দেয়া কিংবা জুমার খোতবা দেয়া  কিংবা ওয়াজ নসিহত করার জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায় বা নির্ধারিত পরিমান টাকা নেয়া  হিসাবের জন্য সেক্রেটারি রাখা ইত্যাদি গুনাহের কাজ । হ্যা যদি দ্রানা করার জন্য কিংবা সিনেমার জন্য কিংবা উকিল তার কাজের জন্য ফিস নির্ধারিত করে তার জন্য ঘুনা্ হবেনা । কারন তা শুধু দনিয়ার কাজের  জন্য । দুনিয়াতে দুনিয়ার জন্য অর্থ কামাই করা গুনাহের কাজ নয । ইলম শিক্ষা দেয়া , খুতবা দেয়া কোন ধর্মীয় কাজে কনফারেন্সে যাওয়া বা আলোচনা করা ইত্যাদি আখেরাতের কাজ । এই সকল কাজ দুনিয়ার কাজ নয়।  আখেরাতের কাজের জন্য ব্যাবসা করলে তার প্রতি আল্লাহ্ ও রসুল সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের  লানত পরে ।  দর করে এত টাকা নেব এি কাজের জন্য গুন...