কারবালা – ৬৯
কারবালার ইতিহাস (পর্ব -৬৯)
📚শামে কারবালা
****************
তাজেদারে কারবালা সাইয়িদুনা
ইমাম হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)– ১
এখন নবীজির পবিত্র কাঁধের আরোহী, মা ফাতিমার নয়ন দ্যুতি, আলী মর্তুজার হৃদয় নিধি, হাসান মুজতবার প্রাণের প্রশান্তি, জান্নাতী যুবকদের সর্দার, প্রেমিকদলের অগ্রনায়ক, নবী বংশের নয়নমনি, ভগ্ন হৃদয়ের পরম আশ্রয়, ধৈর্য্য ও সংযমের মূর্ত প্রতীক, কারবালার শহীদ, মুমিনকুলের আত্মার শান্তি, হযরত ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহুর শাহাদাতের সময় সমুপস্থিত।
এখনই সংঘটিত হবে দুঃখ-বিষাদের প্রলয়, আসমান ও যমীনে এখন শোকের মাতম শুরু হবে। আসমান যমীন এখন রক্তের অশ্রু বিসর্জন করবে, এখনই আসবে সেই বিপদঘন মূহুর্তগুলো, যা কল্পনা করতেই শিউরে উঠবে গোটা ইসলামী জাহান। আর এমনটি কেনইবা হবে না, দোহাজানের শাহজাদা, যাঁকে হুযুর আকরাম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহী ওয়াসাল্লাম) তিনি নিজ বুকে ঘুম পাড়াতেন, কাধ মোবারকে আরোহন করাতেন, নিজের জিহ্বা মোবারক চুষতে দিতেন, সেই প্রাণ প্রিয় দৌহিত্র, স্নেহময়ী জননী সাইয়িদা ফাতেমার (রাদিয়াল্লাহ আনহা) কোলে যাঁর কেঁদে উঠা নবীকুল-সর্দারকে অস্থির করে তুলত, সেই আদরের পোষ্য, যিনি তাঁর পবিত্র কাঁধে চড়ে বসলে প্রিয় নবীজি সিজদাকেও দীর্ঘায়িত করে দিতেন, কাঁধ মোবারক হতে যাঁর পড়ে যাওয়া রাসুলকুল শিরমণির কিছুতেই সইত না, সে আওলাদে রাসূল, যাঁর ভক্তি মুহব্বত প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরজ, যার সাথে মুহব্বত রাখা আল্লাহও রাসূলের সাথেই মুহাব্বত রাখা, যাঁকে দুঃখ কষ্ট দেয়া আল্লাহ ও রাসূলকেই দুঃখ-কষ্ট দেয়া- সেই তাঁকেই যে আপন পরিবার পরিজনের সামনে, তীর-তরবারী আর বর্শার আঘাতে ঘায়েল করে ঘোড়া থেকে নিচে ফেলে দেয়া হবে। তাঁরই পবিত্র লাশকে যে ঘোড়ার খুরে দলিত করা হবে। তাঁবুগুলো জ্বালিয়ে দেয়া হবে। রাসূল জাদীদের সমস্ত আসবাব-পত্র লুঠ করে নেয়ার পরে তাঁদেরকে যে কয়েদী বানানো হবে।
হায়রে আফসোস!!
“শত বর্ষের কয়েদী যাঁদের কল্যাণে পায় ছাড়া,
তাঁদেরই বুঝি পরাতে হয় বন্দীর হাতকড়া!”
অতঃপর কারবালার তাজেদার পরিবারের সকল সদস্য, আত্মীয় স্বজন, সাহায্য ও সহযোগিতাকারী সবাইকে উৎসর্গ করার পর এবার নিজ প্রাণের নযরানা আসল মুনিবের দ্বারে নিবেদন করতে প্রতিজ্ঞা করছেন। আহলে বাইতের তাঁবুতে আগমন করে দেখতে পেলেন, তাঁর সে অসুস্থ পুত্র যিনি কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কয়েকদিন ধরে বিছানায় পড়ে আছেন, সফরের ক্লান্তি, ক্ষুধা-তৃষ্ণার প্রচন্ডতায় এবং চোখের সামনে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনাবলী যাকে এমন কাহিল আর দূর্বল করে দিয়েছে যে, দাঁড়াতে চাইলে তাঁর শরীর মোবারক কাঁপছিল, তিনি সে অবস্থায়ও বর্শা সামলে নিয়ে যুদ্ধের মাঠে যেতে বদ্ধ পরিকর। কারবালার তাজেদার তাঁর চোখের মণি যয়নুল আবেদীনকে সস্নেহে আলিঙ্গন করলেন। আদর করে বললেন, “বেটা, তোমার পালাতো এখনও আসেনি। এখন তো তোমার এ মা বোনদের রক্ষা করতে হবে। আর এ অসহায় আহলে বাইতকে স্বদেশে পৌঁছাতে হবে । বাছা আমার! আল্লাহ্ তা'য়ালা তোমার থেকেই আমার বংশ এবং হোসাইনী বংশধারা জারী করবেন। দেখো, ধৈর্য্য ও সংযমে অটল থেকো, খোদার পথে যত কষ্ট আর বিপদই আসুক না কেন হাসিমুখেই সব সহ্য করবে। সর্বাস্থায় নানা জানের শরীয়ত ও সুন্নাতের অনুসরণ করবে। বৎস, বিপদ-আপদ সইতে সইতে যখন কভূ মদীনা মুনাওওয়ারায় পৌঁছতে পারো তবে সর্বপ্রথম রাওয়ায়ে আনওয়ারে হাজিরা দেবে, আর নানাজানকে আমার সালাম জানাবে, তোমার চোখে দেখা সার্বিক অবস্থার কথাই তাঁকে জানাবে। এর পর আমার আম্মাজানের কবর শরীফে যাবে, তাঁকেও সালাম জানাবে, ভাই হাসান মুজতবাকে সালাম দেবে। কলিজার টুকরো আমার, তুমিই যে আমার স্থলাভিষিক্ত হবে।” ইমামে পাক নিজ পাগড়ি মোবারক খুলে যয়নুল আবেদীনের মাথায় রাখলেন। তারপর সহিষ্ণুতার মূর্ত প্রতীক পীড়িত পুত্রকে বিছানায় শুইয়ে দিলেন।
আহলে বাইতে ছিল আমার যেটুক মায়া আর আদর, তুমিও রেখো তেমনি দয়া, বরং বেশী তাদের পর। ইমামতের এ আমানত সঁপে দিলাম তোমায় জান, নূর নবীজির পথ চলাকে স্মরণ রেখো, হে সন্তান ।
এতিম হওয়ার ব্যথা যেন পায় না কভু সকীনায়,
যয়নব এবং কুলসুমেও কভু যেন চোট না পায়।
শত্রু কুলের কব্জাতে ওই ধৈর্য্য যেন নাই হারাও,
এমনি ভাবে ধীরে ধীরে স্বদেশ যেন পৌঁছে যাও।
কারবালার এ দুঃখ গাঁথা যতেক পারো মন ভরে,
বলবে, যখন পৌঁছে যাবে মোর নানাজীর দরবারে।
দেহ আমার সেখান হতে যদিও দূরে রয় পড়ে,
শির কাটা এ আত্মা সেথায় পৌঁছে গেছে, নাই ধড়ে।
ইমামে পাক তাঁবুতে প্রবেশ করলেন। যুদ্ধসামগ্রী বের করলেন। মিসরী কাবা (কোট বিশেষ) পরিধান করলেন। নানাজান হুযুর মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম) উনার ব্যবহৃত পাগড়ী মুবারক মাথায় বাঁধলেন। শহীদকুল-সর্দার হযরত আমীর হামযা (রাদি.)'র বর্ম গায়ে জড়িয়ে নিলেন। বড় ভাই হযরত ইমাম হাসান (রাদি.)'র কোমরবন্ধ নিজ কোমরে বাঁধলেন। আব্বাজান হায়দার কার্রার (রাদি.) এর তলোয়ার ঐতিহাসিক যুলফিকার হাতে নিয়ে শহীদানের সম্রাট, জান্নাতী যুবকদের অগ্রনায়ক আল্লাহর রাহে সবকিছুই উৎসর্গ করে নিজের শির মোবারক নযরানা দিতে প্রস্তুত হয়ে গেলেন। মহিলাদের তাঁবুতে এলেন। বিবিগণ এ অবস্থা দেখে যারপরনাই অসহায়বোধ করলেন। চেহারা বিবর্ণ হয়েগেল। দুঃখ-বেদনার নিরব প্রতিচ্ছবি সে পবিত্রা মহিলাদের চোখ বেয়ে বেদনার অশ্রু মুক্তো বিন্দুর মত টপকে পড়তে লাগল ।
এ দিকে ইমামে পাক বলতে লাগলেন, তোমাদের প্রতি আমার সালাম! ব্যথায় নিমজ্জিত আহত কন্ঠে বোনেরা ডাকল, 'প্রিয় ভাইয়া' বিবি বললেন, 'প্রাণ নাথ', সকীনা বললেন, “আব্বাজান! কোথায় যাচ্ছেন? এ জঙ্গলে আমাদের কার কাছে সঁপে যাচ্ছেন? যে পশুরা আলী আসগরের মত নিষ্পাপ শিশুর প্রতি সামান্য দয়া করেনি, তারা আমাদের সাথে কীরূপ আচরণ করবে?” তিনি বললেন, “আল্লাহ তোমাদের রক্ষাকারী”। তিনি তাঁদের ধৈর্য্য ধারণের পরামর্শ দিলেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় সহনশীল এবং কৃতজ্ঞ থাকতে উপদেশ দিলেন।
“তোমাদের সঁপে দিয়েছি খোদায় যয়নব ও কুলসুম,
মমতায় কাছে এসো তো বারেক, চলে যাই মজলুম,
যেতে না যেতেই কাটা যাবে আজ এ ভায়ের হলকুম,
ধৈর্য্য ধারণ, নিরাপত্তার রীতি রেখো মা'লুম।”
নিরুপায়, আমি অসহায় আজ, বিধাতার ইচ্ছায়,
অভিযোগ কিবা কান্নার এ যে নয়, নয় মওসুম।
দোযখীরা যাবে চালাবে কৃপাণ এ কণ্ঠে আমার,
না শুনি যেন তোমাদের কোন কান্নার উচ্চার।
ধৈর্য্য হীনেই করে শোর গোল, বিলাপের হাহাকার,
ধৈর্য্য শীলের সাথে থাকে জেনো, সাহায্য আল্লাহর।”
হোকনা হাজার নিপীড়ন, তবু মনে রেখো আল্লাহ্,
হাশরের দিন হবে নিশ্চিত জুলুমের সুবিচার।”
ইমামে পাকের অত্যধিক প্রিয় কন্যা যরত সকীনা এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরলেন। আর্তস্বরে বলে উঠলেন, “বাবা, আপনি চলে গেলে আমি “বাবা” বলে কাকে ডাকব? পরম মমতায় আমার মাথায় হাত বুলাবে কে?” ইমামে পাক সকীনাকে কোলে তুলে নিলেন। অনেক আদর করে বোন হযরত যয়নবের কোলে দিতে দিতে বললেন, “বোন, এ আমার অনেক যত্নে গড়া বড় আদরের মেয়ে। তাকে কখনো কাঁদতে দিও না। এতিমের বেদনা যেন আমার এ কন্যাটি বুঝতে না পারে। আমার লাশের কাছে তাকে আসতে দিও না।”
যয়নব বললেন, “মরণ আমার ! আজ এক সকীনাই শুধু এতিম হচ্ছেনা; বরং আজ আমরা সকলেই নিরাশ্রয় আর এতিম হতে চলেছি। হায়, আজ যদি আমার মৃত্যুই এসে যেত, আমার চোখে এ মর্মান্তিক পরিস্থিতি দেখতে হোত না। ভাইয়া, আপনাকে ছাড়া এবং আপনার পরে আমাদের আর বেঁচে থাকার কী অর্থ আছে? আমাদেরও আপনার সাথে নিয়ে চলুন। আপনার সাথে সাথে লড়াই করতে করতে আমরাও জীবন উৎসর্গ করে দেবো।” ইমাম বললেন, “বোন আমার, তোমরা যে ধৈর্য্যশীলদের সন্তান সন্ততি। নিয়তি আর খোদায়ী সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থেকো। মুখে অভিযোগের একটি বর্ণও আসতে দিওনা। এ দুনিয়া তো ক্ষণিকের পান্থশালা। পরকালই হচ্ছে স্থায়ী ও অনন্ত নিবাস। দুনিয়া ক্ষণিকের, আখের চিরস্থায়ী। শোন বোন, আমাদের স্নেহময় নানাজান আল্লাহর রাসুল সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম তিনি লোকান্তরিত হয়েছেন, আম্মাজান সাইয়িদাও বিরহের জ্বালা দিয়ে বিদায় নিয়েছেন। আব্বাজানের মাথায় ক্ষত তিন দিন তক নিজ চোখে দেখেছি। পরিশেষে তিনিও সমাধিতে লুকিয়ে গেছেন। ভাই হাসানের টুকরো টুকরো কলজে তোমরা আমরা তশতরীতে দেখেছি। এতকিছুতেও আমরা সবুর করেছি। এখন আমার বিষয়েও ধৈর্য ধর। তোমাদের তো আসন্ন মহা বিপদেও ধৈর্যের মোহর লাগাতে হবে।" অতপর তিনি এক এক জনের নাম ধরে অন্তঃপুরের সবাইকে সালাম জানালেন। ধৈর্য্য ও সংযমের অন্তিম উপদেশ শোনালেন। ক্ষত বিক্ষত আহত হৃদয় আসন্ন বিচ্ছেদ ভাবনায় চূর্ণ বিচূর্ণ হতে থাকলো। দুঃখভরা কাতর দৃষ্টিগুলো আলো ভরা চেহারা মোবারকের দর্শন সুধা উপভোগ করতে থাকল। বেদনা বিধুর ক্ষণকাল পরে এ আলোর দীপ্তি চিরতরে মিলিয়ে যাবে। ইমাম শেষ বিদায় জানিয়ে তাঁবু ছেড়ে আসলেন।
“বিদায় দিয়ে আসেন ইমাম তাঁবুর বাহিরে,
হাশর যেন আসল নেমে সেই তাঁবু ঘিরে।
কেউ বলে, মোর পতির ছায়া হারিয়ে গেল যে,
কেউ বলে, মোর ভায়ের স্নেহ ছাড়িয়ে নিল কে?
দোহাই দিয়ে ডাকেন বাবায়, দুঃখী সকীনা,
কান্নাজড়া কণ্ঠে শুধায় দুঃখী সকীনা।
মরি! আমার আব্বা এসো ফিরে তাঁবুর ঠাঁই,
কেন ছেড়ে যাবে বাবা, আমার যে কেউ নাই !
আর ভেঙো না এমনি করে ছোট্ট এই হৃদয়,
ফিরে দেখাও সেই প্রিয় মুখ প্রাণে যে না সয়।
বাবা বলেন, মা মনি যাও, বাইরে এসোনা,
হাশর ছাড়া আর যে কভু দেখা হবে না।
কারবালার মজলুম ডানে বামে চোখ বুলালেন।
গোটা ময়দান আজ ফাঁকা নিবেদিত প্রাণ সহচরদের কেউ নেই, যারা সারাক্ষণ তাঁর সাহায্যে প্রস্তুত থাকতেন। আরোহন করার সময় যারা পা দানি এগিয়ে দিতেন। হযরত যয়নব দেখলেন যে, ভাইকে সওয়াব করিয়ে দেবার মতও কেউ নেই । বললেন, “রাসুল-কাঁধের সওয়ারী, রেকাব ধারণের সেবায় কেউ নেই বলে নিরাশ হবেন না। রাসুলের এ নাতনী যে সেই খেদমতে হাজির।
যয়নব বলে, “হয়োনা নিরাশ, ওগো মোর সহোদর,
ধরতে রেকাব বোন আছে আজো, নেই যদি সহচর।
জানি আমি আজ, সাহায্যে তব কেউ নেই অনুচর,
মানি মান্নত, ভাই ফিরে এলে আমাদেরই বরাবর।
সিপাহ্-সালার একাকী, এমন বান্ধবহীন আজ,
ভাই, ভাতিজারা সব চলে গেছে, বিষণ্ন অন্তর।"
এবার কারবালার তাজেদার সওয়ার হয়ে ময়দান অভিমুখে রওয়ানা হলেন।
“তাঁবুর দিকে ফিরে তিনি বললেন ইশারায়,
“যয়নব যাও, সবারে আমি সঁপেছি খোদায়।
যেতেই যদি তোমরা পারো নবীর রওজায়,
ধৈর্য আমার ছিল কেমন জানাবে নানায়।
যুদ্ধে তোমার পরিণতিই শুধু ভাবনায়।
দেখলো বোনে তোমায় হাতে লাশ সরাতে ভাই,
অবোধ শিশুর লাশ কোলেতে, তাও দেখতে পাই,
শুষ্ক তোমার জিহবা মুখে, দুঃখেরই শেষ নাই,
আকবরের ওই বিচ্ছেদে সে অশ্রু দেখে যাই ।
বাবাও ছিলে যোদ্ধা পুরুষ, বীর কেশরী সেই,
তৃষ্ণা নিয়ে অষ্ট প্রহর লড়তে দেখি নাই ।
দুনিয়াবাসী আজকের এই দিনটা দেখে নাও,
নবীর দুলাল শেষ বিদায়ে এই উঠালেন পাও,
এই ছবি না দেখবে কভু, একটু নজর দাও,
মা ফতেমার নয়নমণির মূল্য বুঝে নাও।
দুনিয়া জুড়ে খুঁজলে এমন ইমাম পাবে না,
মুহাম্মদের ঘরের আলো তাঁরেই চিনে নাও৷
ইমামে পাক ময়দানে কারবালায় অবতীর্ন হলে মনে হলো যেন অসত্যের অন্ধকার চির সত্যের দীপ্ত সূর্যের রূপ উদ্ভাসিত হল। নিজের ব্যক্তিত্ব ও বংশ মর্যাদার যশঃগীতি সম্বলিত কবিতা পড়লেন।
“সত্য প্রিয় ইবনে আলী, বংশ আমার হাশেমী,
এই পরিচয় গর্ব আমার, বংশে নবীর এই আমি।
নানা আমার প্রিয় নবী, যাঁর তুলনা নেই ধরায়,
মানবকুলে প্রদীপ যেন খোদার পথে রইনু ঠায়।
জননী মোর মা ফাতেমা নূর নবীজির শাহ্জাদী,
বেহেশত জুড়ে উড়ছে পাখায় জা'ফর আমার চাচাজী।
মোদের আছে সত্য নিয়ে নাযিল হওয়া এই কিতাব,
ঐশী বাণীর আলোক দিয়ে গড়া মোদের নেক-স্বভাব।
পরবর্তী পর্ব
শেষ চেষ্টা

Comments
Post a Comment