কারবালা - ৫০
কারবালার ইতিহাস (পর্ব -৫০)
📚শামে কারবালা
📚শামে কারবালা
শিক্ষনীয় বিষয় :
দূর্ভাগ্য যখন কোন জাতির নিয়তির লিখন হয়ে যায়, তখন দৃষ্টিতে তাদের আবরণ পড়ে যায় অন্তরে দেখার ও বোঝার ক্ষমতা নিঃশেষ হয়ে যায়। যেমনটি আল্লাহ তালা এরশাদ করেন,
“তার চেয়ে বড় দুরাচার কে হতে পারে, যাকে তার প্রভুর আয়াত সমূহ বোঝানো হয়েছে, অথচ সে বিমূখ হয়ে গেল, আর ভুলে গেল ঐসব (আমল) কে যা তার হাতে পূর্বে করেছিল। (পরিণামে) আমি তাদের অন্তরসমূহে আবরণ পরিয়েছিলাম, যাতে তারা তা উপলব্ধি করতে না পারে। আর তাদের কানগুলোতে স্থাপন করলাম বধিরতা। কাজেই (হে রসূল) আপনি যদি তাদেরকে হেদায়ত (সভ্য পথ) এর দিকে আহবান করেন, মন্দ বরাত কস্মিনকালেও তারা সত্যের দিকে ফিরবেনা। আপনার অত্যন্ত ক্ষমাশীল অসীম দয়াময় প্রভু, যদি তাদের কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও করতেন, তবে অত্যন্ত ত্বরিত শান্তি তাদের জন্য প্রেরণ করতেন। (কিন্তু তিনি তা করেন না) বরঞ্চ তাদের শাস্তি প্রদানের জন্য একটি সময় নির্ধারিত আছে, আর এই সময়টিতে কোন আশ্রয় তারা পাবেনা।
📚(কুরআন ২০ : ১৫)
কুফার ইয়াযীদ পক্ষীয়দের অবস্থাও সম্পূর্ণ এমনিই হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে কোন উপদেশই তাদের মধ্যে সামান্য প্রভাব সঞ্চার করতে পারেনি। তাদের আচরণ তো নিঃসন্দেহে এমনই ছিল যে, ঐ যালিমদেরকে শাস্তির যাঁতাকলে পিষে নিশ্চিহ্ন করে ফেলাই সমীচিন ছিল, সামান্যতম অবকাশও না দেয়াই যুক্তিযুক্ত ছিল। কিন্তু আল্লাহ আ'লা নিজ সহিষ্ণুতা ও দয়ার গুণে এবং স্বীয় প্রজ্ঞার কারণে তাঁদের অবকাশ দিয়ে রাখলেন। কেননা তাঁর নিকট প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্য একটি সুনিদিষ্ট সময় বাঁধা আছে।
পরবর্তী পর্ব -
হুরের আগমন

Comments
Post a Comment